স্টাফ রিপোর্টার : নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, জামায়াত-এনসিপি বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের বিরোধী। তার প্রমাণ তাদের স্লোগানে-কর্মে প্রতিনিয়ত তারা দিচ্ছে। শুধু এখানেই শেষ নয়; ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর জুলাই সনদ বিতর্ক তুলে একের পর এক কর্মসূচির মাধ্যমে জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় জোট প্রমাণ করেছে দেশবিরোধী ও তাদের সমর্থকরা দেশে শান্তি চায় না। শান্তি চাইলে এই রমজানে অন্তত দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে কথা বলতো। ২৭/৭ তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে ২০ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১ টায় ‘ভাষার মাসে উর্দুতে স্লোগান এবং আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রকৃত প্রতিনিধিরা বুঝে গেছে ছাত্রদেরকে কাজে লাগিয়ে ইউনূস মূলত তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাগুলো থেকে ক্ষমা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। কোটা বা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নামে মানুষকে বোকা বানিয়ে আমাদের বায়ান্ন-একাত্তরকে ম্লান করে দিয়ে ডিপ স্টেটের প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়ন করেছেন। যে কারণে আজ জাতি অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া, সামাজিকভাবে সহিংস আর সুশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। সভায় প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ ভাষার মাসে সংসদে ইংলিশ লেখা জার্সি পরে যারা সংসদে যাচ্ছে এমপি পদে শপথ নিতে, তারা শুধু দেশ বিরোধীই না, বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-শিক্ষা-সভ্যতারও বিরোধী। তারা রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে পাওয়া একটা দেশের ভাষা-মায়ের ভাষাকে প্রতিনিয়ত অপমান করতে উর্দুতে গড়েছে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’, স্লোগান দিচ্ছে উর্দুতে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ অথবা ‘ইনসাফ জিন্দাবাদ’। উর্দুতে তাদের এই স্লোগানকাণ্ডই বলে দেয়- তারা পকিস্তানের পক্ষে-উর্দুর পক্ষে-ষড়যন্ত্রের পক্ষে-দুর্নীতিবাজদের পক্ষে। গত ১৮ মাসের মবতন্ত্র থেকে মুক্তি পেয়ে দিনরাত দেশের মানুষ এখন দোয়া করছে ছাত্র-যুব-জনতার শান্তির বাংলাদেশ ফিরে পাওয়ার। এখন সেই শান্তির বাংলাদেশ গড়বার অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ছাত্র থেকে হুট করেই এমপি হওয়া আর স্বাধীনতা বিরোধী হওয়া স্বত্বেও সুক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমের এমপি হওয়া কিছু ধর্ম-মানবতা- দেশ-স্বাধীনতা বিরোধী ব্যক্তি। এদেরকে রুখে দিতে সারাদেশে স্বাধীনতার পক্ষের মানুষদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।