জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “নির্বাচন ও সরকার সবকিছুই জনগণের জন্য। অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপির সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। আমরা নির্বাচনের পর আন্দোলন করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইনি। নির্বাচন মেনে নিলেও আমরা গণভোটের রায় নিয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেব না।” বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানী কাকরাইলের আইডিইবি মাল্টিপারপাস হলে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “নির্বাচনের রায়কে মেনে নিলেও গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করতে দেব না। নতুন বা পুরোনো কোনো ফ্যাসিবাদ মেনে নেওয়া হবে না। জনগণের অধিকারের প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই।” তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর এই জাতি কষ্টে ছিল। অসংখ্য মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে। এই দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে, জেলে থাকতে হয়েছে। আগে জারা মজলুম ছিল এখন অনেকে জালিম হওয়ার পথে।” বিএনপিকে ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, “জনগণকে তারা মূর্খ বলতে চাচ্ছে। তারা বলে জনগণ না বুঝেই গণভোটে রায় দিয়েছে। ১৭ বছর তারাও মজলুম ছিল। কিন্তু অনেকেই জেলে যায়নি, তারা শহীদ পরিবারের হাহাকার বুঝবে না।” তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের আগে অনেক নাটকের পর নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনের পর বলা হলো- নির্বাচনের জন্য তারা অনেক কিছু মেনে নিয়েছিল।”জামায়াত আমির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “কেউ শালীনতা ভেঙে জুলাইকে অসম্মান করার দুঃসাহস দেখালে তা সহ্য করা হবে না।”