চাষের কথা বলে শর্ত ভঙ্গকরে অবৈধভাবে টিলাজমি জবর দখলে রাখা সহ মালিকদেরকে হয়রানি হুমকির আভিযোগ

পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যুরো সংবাদদাতাঃ রাঙ্গামাটি জেলার উপজেলা লংগদু ১ নং আটারকছড়া ইউনিয়ন ভাঙামুড়া এলাকার প্রায় বাসিন্দারা অন্যের জমি বর্গা,ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। কেউ মেয়াদি ভাড়া, করবন্ধোক নেয় সময় ফুরিয়ে গেলে জমি গুলো ফেরত দেওয়া হয় মালিকদেরকে। কেউ আবার বর্গা,ভাড়া, করবন্দোক নেওয়ার পর মালিকদেরকে জমিফেরত না দেওয়া বর্গা,ভাড়া গ্রহিতার গরিমসি কিংবা মৃত্য হওয়ায় তার ছেলে সন্তানরা ফেরত দিতে চায়না, বরং মালিকদেরকে নানা হুমকি সহ হয়রানি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সেখানে সরকারি বরাদ্দের পাকা ঘরও তৈরি করে জালিয়তির মাধ্যমে।এইদিকে টিলা জমি দখল করার সুবাদে পাশের নিচের জমিতেও অবৈধভাবে দখল করে নতুন ভাবে২০২৬ সালের ফেরুয়ারি মাস থেকে অবৈধ চাষাবাদ করছে বলে জানান মালিকপক্ষ জ্ঞান রন্জন চাকমা পিতাঃমৃত নির্মলচন্দ্রচাকমা। তিনি বলেন, তার বাপ দাদার অর্থাৎ দাদা বিরাজ চন্দ্র খিসার নামে ২৬নং ইয়ারিং ছড়ি মৌজাস্হ হোল্ডিং নং জ-৮ রেকডিয় ৫.০০(পাঁচএকর) টিলা জমি থেকে তার অর্থের প্রয়োজনে ২. ০০(দুই একর) ভুমি ভাঙ্গামুড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হাসেম পিতাঃমৃত্যঃআনসার আলির নিকট বর্গা ভাড়া ভিত্তিতে কর বন্দোক দেয় মং ৭০০০/- ( সাতহাজার টাকা) লিখত চুক্তিতে, মেয়াদ ২০০৭ থেকে ২০১০ পর্যন্ত্য। মেয়াদ শেষ হওয়ায় চুক্তিটি উভয়ের সম্মতি ক্রমে ছিড়ে ফেলা হয়। পরে২০১০ সালথেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত্য মৌখিক ভাড়া ভিত্তিতে মাত্র মং ৩০০০/-(তিনহাজার) নেয়। এই পর্যন্ত্য সর্বমোট টিলাজমির ভাড়া পায় মোট মং-১০.০০০(দশ হজার) টাকামাত্র। বর্তমানে মালিক পক্ষ ভুমিটি ফেরত কিংবা জায়গা ভাড়া পাচ্ছে না। বর্গাভাড়া গ্রহিতা চাষা জীবিত থাকা অবস্থায় ভূমির মালিকদের সাথে কোন বিরোধ হয়নি। তার মৃত্যুর পর তার ছেলেরা টিলাভূমি জবর দখল করে রাখে।এই সুবাদে নিচের অন্য দাগের জমিও চলতি সনের ২০২৬ সালের ফেরুয়ারি মাসে ১.০০( এক) একর জমি জবরদখল করে সেখানে চাষাবাদ করছে মৃত্য চাষা হাসেমের ছেলেরা । মালিকদেরকে ও নানাভাবে হয়রানি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা হলো, ১/আব্দুল হালিম, ২/মোঃশাহ বলম ৩/ নুরমোহাম্মদ ৪/মোঃ নুর আলম ৫/ মোঃআলমগীর ৬/মোঃইয়াছিন সর্ব পিতা মোহাম্মদ হাসেম। এদের সাথে অন্য যার বিরুদ্ধে নিচের জমি দাবি করে জবরদখলসহ অবৈধ বেচাবিক্রি ভূমিদস্যুতার অভিযোগ উঠছে তার নাম হলো জাহাঙ্গীর পিতাঃমৃতঃ সারোয়ার বিশ্বাস। তার নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে শনিবার সকালে সে জানান, যে জমিচাষাবাদ করেছে তারপিতা জীবিত থাকাকালিন সময় থেকে, পিতা মারা যাওয়ার পর মাতা ভোগদখলে ছিল মাতা মারা যাওয়ার পর ভাই বোন ভোগ দখলে আছি, সেজানায় এটি পিতার নামে কিংবা তার নামে কোন রেকর্ডীয় সম্পত্তি নয়। মালিক সরকার কিংবা পাহাড়ি,বৈধ কাগজ যার সেই নিয়ে যাবে কোন সমস্যা নেই। টিলার নিচের জমিটির রেকর্ডীয় মালিকও বিরাজচন্দ্র খিসা যার হোল্ডিং নং৩ খতিয়ান ৩০ এর মোট তেরটি দাগেরনঅন্দরে ৮.০০ (আট) একর ৯৫ শতক জমি রেকর্ডভুক্ত আছে।মৃত্যু চাষা মোহাম্মদ হাসেমের ছেলে আব্দুল হালিম এ প্রতিবেদককে মুটোফোনে জানতে চাইলে বলেন, তার পিতা চাকমা থেকে ক্রয় সুত্রে ভোগদখলে আছেন পিতা জীবিত থাকাকালিন তখন পিতার নামে রেকর্ড হয়। ২০২১ সালে তার পিতা মারা যায়। সেসূত্রে ধরে তারা বসবাস করে আসছে। টিলার সাথে নিচের জমির দখল বিষয়ে জানতে চাইলে সে জানায়, নিচের জায়গাটি খাসজায়গা।প্রতারণা মাধ্যমে জবরদখল রাখা পৈত্রিক বাপদাদার ভিটামাটি জমিগুলো উদ্বারে ক্ষতিগ্রস্হ মালিক পক্ষ মানবাধিকার রিভিউ মাধ্যমে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীসহ উচ্চ মহলের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছে।