বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিল্পখাতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদন প্রক্রিয়ার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবও বিবেচনায় নেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন দিবসটি পালন করে থাকে।
তিনি বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য— ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’— অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী। কারণ বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে।
তিনি বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন শুধু একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়; এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলার একটি কার্যকর হাতিয়ার। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড দেশের ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের আওতায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।