নিজস্ব প্রতিবেদক |
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি ডকুমেন্টারি নিয়ে আপত্তি জানানোর পর নিজের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডকুমেন্টারির প্রতিবাদ জানালে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
পোস্টে মাহিন সরকার লেখেন, “আজকের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারির প্রতিবাদ করেছি। রাষ্ট্রপতির সামনে আমাকে হামলা করা হয়েছে এবং আমি এটি নিয়ে গর্বিত।”
ডকুমেন্টারির বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি দাবি করেন, সেখানে ‘এক দফা’ আন্দোলনের ঘোষক হিসেবে তারেক রহমানকে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদের নাম বা অবদান যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মাহিন সরকারের ভাষ্য, “যে নাহিদ ইসলাম নিজের মৃত্যুপরোয়ানায় সই করে এক দফার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি বিএনপির ইতিহাসে নেই। যে আসিফ মাহমুদ মৃত্যুঝুঁকি জেনেও ‘লং মার্চ টু ঢাকা’র ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনিও ইতিহাসে নেই।”
তিনি আরও লেখেন, “জুলাইয়ের পরে বেঁচে থাকাটাই যেন আমাদের অপরাধ। গণঅভ্যুত্থানে আমার নেতা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ। তাঁদের পাশে থাকতে পারাই আমার গর্ব। যেখানে তাঁরা নেই, সেখানে আমিও নেই।”
তবে মাহিন সরকারের হামলার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা অনুষ্ঠান আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের স্বাধীন সত্যতাও তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।