শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ উদ্ভাবন ও দক্ষতার সমন্বয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে: শিল্প সচিব লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা বধির স্কুলের জমি আর দখল হতে দেওয়া হবে না : ডিএসসিসি প্রশাসক বাউফলে ১৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ৬ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনদুর্ভোগ বিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু নবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত দাউদপুর ডিগ্রি কলেজে নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন ও ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গত ৭ মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

লাইসেন্স ছাড়া দেশে কোনো খাদ্য ব্যবসা করা যাবে না। মূলত অনিরাপদ ও ভেজাল খাবার নিয়ন্ত্রণে দেশে সব ধরনের খাদ্য ব্যবসায় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ওই লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) সম্প্রতি নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং প্রবিধানমালা প্রকাশ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী মোড়কজাত ও প্রক্রিয়াজাত বড় খাদ্য কারাখানা থেকে রেস্তোরাঁ, বেকারি, পেস্ট্রি শপ, মিষ্টির দোকান, ক্যাটারিং সেবাদাতাসহ রাস্তার পাশের পুরি-পিঠার দোকানেরও লাইসেন্স লাগবে। সেজন্য ব্যবসায়ীদের নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। তাছাড়া শিশুদের ফর্মুলা দুধ, ফর্টিফায়েড খাবার, অর্গানিক ও জিএমও পণ্যের মতো বিশেষায়িত খাদ্যের উৎপাদক ও কোল্ড স্টোরেজগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে নিতে হবে লাইসেন্স। মূলত দশের সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার ওপর নজরদারি বাড়াতেই খাদ্য ব্যবসায় সরকার নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে ৩ বছর। তারপর তা নবায়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে নিবন্ধনের ফি ১ হাজার থেকে শুরু এবং নবায়নের খরচ হবে ৫০০ টাকা। তবে খাবারের বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ফি ফ্লোরের আকারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হবে। ছোট দোকানের জন্য ওই ফি ১ হাজার টাকা এবং ১০ হাজার বর্গফুটের চেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ হাজার টাকা। তাছাড়া খাদ্য মজুত করার ক্ষেত্রে ২০ হাজার বর্গফুটের চেয়ে বড় গুদামের লাইসেন্স নিতে ৪০ হাজার টাকা গুনতে হবে। নিয়মানুযায়ী খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন নেয়া ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে মানতে হবেঅন্তত ২০টি নির্দেশনা। তার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্য স্থাপনা স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে অবস্থিত হতে হবে, পর্যাপ্ত জায়গা থাকতে হবে, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের পাশাপাশি থাকতে হবে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের চলাচলের পর্যাপ্ত জায়গা, ব্যবহৃত পানি নিরাপদ হতে হবে। সূত্র জানায়, বাজারে খাদ্যপণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআই এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। ফলে সমন্বয়হীনতায় ব্যবসায়ীদের পোহাতে হচ্ছে নানা ধরনের ভোগান্তি। যদি বাজার তদারকি এক ছাতার নিচে আনা হয় এবং একটি সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে বাজার অভিযানের কার্যকারিতা বাড়বে। তাতে ব্যবসায়ীদের পক্ষেও সহজ হবে নিয়ম মেনে চলা। কিন্তু ওই উদ্যোগ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়ন সক্ষমতা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ মাঠপর্যায়ে সংস্থাটির যে পরিমাণ দক্ষ জনবল প্রয়োজন তা নেই।এদিকে এ প্রসঙ্গে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া জানান, খাদ্যের নামে দেশজুড়ে প্রতিনিয়ত অনিরাপদ বস্তু বিপণন হওয়ায় জনস্বাস্থ্যে সরাসরি তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অনিরাপদ ও ভেজাল খাবারের কারণে অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ই তার প্রমাণ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
  • ১৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ১৭:৪৯ অপরাহ্ণ
  • ১৯:০২ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102