শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুটপাত যেখানে দখল হবে, সেখানে উচ্ছেদ অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি শ্রমিকদের বিদেশি ভাষাও জানতে হবে : শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু দু-একটি অঘটনের কারণে আলেম সমাজকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় : জামায়াত আমির অনলাইনে বিয়ে নিবন্ধনে অনিয়ম বাল্য-বহুবিয়ে কমবে: আইনমন্ত্রী বিনিয়োগে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ উদ্ভাবন ও দক্ষতার সমন্বয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে: শিল্প সচিব লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা বধির স্কুলের জমি আর দখল হতে দেওয়া হবে না : ডিএসসিসি প্রশাসক

অনলাইনে বিয়ে নিবন্ধনে অনিয়ম বাল্য-বহুবিয়ে কমবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হলে বিয়ে-সংক্রান্ত অনিয়ম, বাল্য ও অননুমোদিত বহুবিয়ে প্রতিরোধ সহজ হবে। একইসঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য সমন্বিত ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকায় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও, প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত যাচাই করা সম্ভব হবে। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, এই ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো দেশের মানুষের বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য একটি নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রতিবছর কতটি বিয়ে হচ্ছে, বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটছে কি না এবং বিয়ে-সংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে কার্যকর হচ্ছে কি না এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ ও যাচাই সহজ হবে। অনলাইনে বিয়ে নিবন্ধন চালু হলে কোনো ব্যক্তি আগে বিয়ে করেছেন কি না, করলে কতটি বিয়ে করেছেন এবং নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আরবিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, এসব তথ্য যাচাই করা যাবে। ফলে তথ্য গোপন করে বিয়ে, গোপন বিয়ে এবং পরবর্তীতে বিয়ে অস্বীকারের সুযোগ কমবে। একজন নারী বা পুরুষও সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর পূর্ববর্তী বিয়ের তথ্য জেনে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এতে সামগ্রিকভাবে বহুবিয়ের প্রবণতা কমবে। তিনি বলেন, বৈবাহিক তথ্য সংরক্ষিত থাকলে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা সন্তান হিসেবে একাধিক ব্যক্তি দাবি করলেও নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে। এতে এ ধরনের বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমার সম্ভাবনা কমবে। বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনলাইনে নিবন্ধিত তথ্য যাচাই করতে পারবে। ফলে প্রচলিত পদ্ধতিতে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগের প্রয়োজনও কমবে। পর্যায়ক্রমে বিয়ে নিবন্ধনের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টসহ অন্যান্য সরকারি তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আন্তঃসংযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি তথ্যব্যবস্থাগুলো সমন্বিত ও আন্তঃসংযুক্ত হলে নাগরিকের পরিচয় ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে। বিশ্ব দ্রুত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেরও এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স: বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে পাঁচটি জেলার ২৭ জন বিয়ে ও তালাক নিবন্ধক (নিকাহ রেজিস্ট্রার) অংশগ্রহণ করছেন। প্রশিক্ষণে অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন সফটওয়্যার ব্যবহারের পদ্ধতি, নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, তথ্য সংরক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হচ্ছে। নিকাহ রেজিস্ট্রারদের উদ্দেশে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তারা সমাজে একটি সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্ত। অনলাইনে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা ও প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা নিজে দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার অন্যান্য নিকাহ রেজিস্ট্রারদেরও প্রস্তুত করবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ঢাকা জেলার সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়নে লটারি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিয়মনীতি অনুসরণ করে লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হলে দীর্ঘদিন একই স্থানে দায়িত্ব পালন এবং পদায়ন নিয়ে তদবিরের সুযোগ কমবে। নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বিষয়েও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে তাদের উত্তরসূরিরা যাতে এই পেশায় আসার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ পান, সে লক্ষ্যে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস ও এসএম এরশাদুল আলম, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শামীমা আফরোজ, প্রকল্প পরিচালক মো. আজিজুল হক, ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির পরিচালক শ্বাশ্বতী বিপ্লবসহ আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
  • ১৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ১৭:৪৯ অপরাহ্ণ
  • ১৯:০২ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102