পটুয়াখালীর বাউফলে ৫–৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলম ফকির (৪৫)। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। এদিকে, গত ২৩ অক্টোবর পৌরশহরের বাংলাবাজার এলাকার একটি খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিখোঁজ আলম ফকিরের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহটি আলম ফকিরের হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তাঁরা। আলম ফকির পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুজাফর গাজী, যিনি স্থানীয়ভাবে মুজা নামে পরিচিত, তাঁর ছেলে। তিনি দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাঁর ছোট স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। সেখান থেকেই তিনি নিখোঁজ হন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় শনিবার (২৪অক্টোবর)
তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে, গত ২৩ অক্টোবর বাউফল পৌরশহরের বাংলাবাজার এলাকার একটি খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ আলম ফকিরের পরিবারের সদস্যদের ধারণা, খাল থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তাঁর হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে মরদেহটির পরিচয় নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “নিখোঁজ আলম ফকিরের পরিবারের লোকজন থানায় এসে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন, খালে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহটি আলম ফকিরের হতে পারে। মরদেহটি খালে পাওয়া যাওয়ায় নৌ-পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।”মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত এবং নিখোঁজ আলম ফকিরের সন্ধান পেতে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর পরিবার।