শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সারাদেশে খননকৃত খালগুলোকে আয়বর্ধক খাতে রূপান্তর করতে হবে : ত্রাণমন্ত্রী স্কুলে এক শিফটের পক্ষে সরকার, অবকাঠামো না থাকায় সীমাবদ্ধতা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চাবি সঠিকভাবে ঘোরাতে পারলে উন্নয়ন হবে: মঈন খান আট দফা এক দফা হলে পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ: বিরোধীদলীয় নেতা সকল মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাউফলে কালাইয়া বাজারের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে ইউএনও খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য নতুন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জামায়াত একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে : আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসুক, হাতকড়া নিয়ে রিসিভ করব: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী

সারাদেশে খননকৃত খালগুলোকে আয়বর্ধক খাতে রূপান্তর করতে হবে : ত্রাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সারাদেশে বিভিন্ন সময়ে খনন ও পুনঃখনন করা খালগুলোকে শুধু পানি নিষ্কাশন বা জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজে সীমাবদ্ধ না রেখে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি অর্থে খনন করা খালগুলোকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। শনিবার রাজধানীর কেআইবি সম্মেলন কেন্দ্রে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রাণমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচিকে শুধু প্রচলিত সহায়তা ও ত্রাণনির্ভর না রেখে মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার দিকে নিতে হবে। এর মাধ্যমে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, কোনো এলাকায় খাল খনন করা হলে সেটিকে শুধু একটি অবকাঠামোগত প্রকল্প হিসেবে দেখলে চলবে না। খালের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কীভাবে যুক্ত করা যায়, সেটিও বিবেচনা করতে হবে। খাল খননের পর এর সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে আয়বর্ধক কর্মসূচি গ্রহণ করা যেতে পারে। আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে হবে। একই ধরনের প্রচলিত কর্মসূচি সব জায়গায় বাস্তবায়ন না করে স্থানীয় পরিবেশ, মানুষের প্রয়োজন এবং বাজারব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের ধরন নির্ধারণ করা প্রয়োজন। মাশরুম চাষের উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে মাশরুম চাষের একটি উদ্যোগ পরিদর্শন করে এর সম্ভাবনা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নিয়েছেন। একজন নারী উদ্যোক্তা তার খামারে মাশরুম চাষ করে সেটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। মাশরুম চাষে তুলনামূলকভাবে বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না এবং এর বাজারও রয়েছে। ফলে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেওয়া গেলে অনেক মানুষ এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের আয় বাড়াতে পারেন। তিনি বলেন, শীত মৌসুমেও মাশরুম চাষ করা সম্ভব। স্থানীয় পর্যায়ে ছোট পরিসরে এ ধরনের উদ্যোগ শুরু করে ধীরে ধীরে তা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য প্রচলিত সহায়তার পাশাপাশি আয়বর্ধক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে তারা দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন। মন্ত্রী জানান, এ ধরনের নতুন ধারণার কার্যকারিতা যাচাই করতে প্রাথমিকভাবে চলতি বছর ২৫টি উপজেলায় একটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার পর এর ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে। কার্যক্রম সফল হলে পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও তা সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচির ক্ষেত্রে শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না; কর্মসূচিটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, মানুষের আয় কতটা বাড়ছে এবং তারা কতটা স্বাবলম্বী হতে পারছেন, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। একটি কার্যকর মডেল তৈরি করা গেলে সেটি দেশের বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ ও দরিদ্র এলাকায় প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগপ্রবণ মানুষের জন্য আবাসন ও পুনর্বাসন কর্মসূচির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মানুষকে তাদের নিজস্ব সমাজ ও পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে কোনো আলাদা অঞ্চল বা আশ্রমধর্মী স্থানে পুনর্বাসন করার পরিবর্তে নিজ এলাকায় থেকেই যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। নিজের সমাজের মধ্যে বসবাস করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে একজন মানুষ নিজেকে সার্থক মনে করবেন এবং সমাজের সঙ্গে তার বন্ধনও অটুট থাকবে। তিনি বলেন, পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে শুধু একটি ঘর বা আশ্রয় দেওয়াই যথেষ্ট নয়। মানুষের জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সংযোগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। এমনভাবে কর্মসূচি সাজাতে হবে, যাতে উপকারভোগী পরিবারটি নিজের এলাকায় থেকে আয় করতে পারে এবং ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। মন্ত্রী প্রচলিত খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির পরিমাণ নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, একজন দরিদ্র মানুষকে ১০ কেজি চাল দেওয়ার বিষয়টি বর্তমান বাজারব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নতুন করে বিবেচনা করা দরকার। বর্তমান বাজারে ১০ কেজি চালের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় একজন শ্রমজীবী মানুষ একদিন কাজ করেও প্রায় একই পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারেন। ফলে শুধু অল্প পরিমাণ খাদ্য সহায়তা দেওয়ার পরিবর্তে কীভাবে মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়ানো যায়, সেটি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। তিনি বলেন, এ কারণে দরিদ্র মানুষের খাদ্য সহায়তায় চালের পরিমাণ ১০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ২০ কেজি করার একটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। এ জন্য অতিরিক্ত প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে কর্মসূচিটি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা সরাসরি ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে অর্থের অপচয় ও অনিয়ম অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এতে সহায়তার অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়বে। তিনি বলেন, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির অর্থ বিতরণে আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও বেশি কাজে লাগানো প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে অন্যায়ভাবে অর্থ আত্মসাতের সুযোগও কমবে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) এবং কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রসঙ্গেও মন্ত্রী ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সমাজ ও মানুষের চিন্তা-চেতনা পরিবর্তন হচ্ছে। মানুষের রুচি, জীবনযাত্রা ও প্রয়োজনেও পরিবর্তন এসেছে। তাই দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত সরকারি কর্মসূচির নাম ও কাঠামোও সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা যেতে পারে। মন্ত্রী বলেন, কাবিখা ও কাবিটাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিগুলোর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে একটি প্রস্তাব তৈরি করে তাকে দিতে হবে। এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কমিটিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রধান এবং মহাপরিচালককে সদস্য সচিব করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের একজন প্রতিনিধি এবং পিআইওদের একজন প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে রাখা হবে। কমিটি আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে সুপারিশ করবে। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে মানুষের মধ্যে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, তা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। মানুষের মর্যাদা ও সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখে কর্মসূচির নাম ও বাস্তবায়ন পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা দরকার। সম্মেলনে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির প্রকৃত সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচির মূল লক্ষ্য শুধু দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়; দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং তাদের জীবিকা পুনর্গঠনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা। এজন্য স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, কোনো কর্মসূচি গ্রহণের আগে স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও সক্ষমতা বিবেচনা করা জরুরি। এক এলাকার জন্য কার্যকর কোনো কর্মসূচি অন্য এলাকায় একইভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। তাই স্থানীয় বাস্তবতা অনুযায়ী কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কর্মসূচির সঙ্গে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে প্রকল্পের স্থায়িত্ব বাড়ে। বিশেষ করে খাল খনন, জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি, মৎস্য, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি ও অন্যান্য আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রকল্পের সাফল্য শুধু কত টাকা ব্যয় হলো বা কতটি অবকাঠামো নির্মাণ করা হলো—তা দিয়ে পরিমাপ করা উচিত নয়। প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের জীবন কতটা পরিবর্তিত হলো, আয় কতটা বাড়ল, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলো কি না এবং স্থানীয় অর্থনীতি কতটা শক্তিশালী হলো, এসব বিষয়ও মূল্যায়নের অংশ হতে হবে। তিনি বলেন, দুর্যোগপ্রবণ মানুষের জীবনকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ ও স্বাবলম্বী করতে হলে ত্রাণনির্ভরতার পরিবর্তে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারি সহায়তা এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে একজন মানুষ একবার সহায়তা পাওয়ার পর পরবর্তী সময়ে নিজের আয় দিয়ে পরিবার পরিচালনা করতে পারেন। সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন, সচিব সাইফুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সম্মেলনে মন্ত্রী মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
  • ১৬:১৯ অপরাহ্ণ
  • ১৮:০৬ অপরাহ্ণ
  • ১৯:২০ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102