লিওনেল মেসিদের সঙ্গে ব্রিল এমবোলোর পুরোনো হিসাব যেন আবার সামনে চলে এলো। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিতর্কিতভাবে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের এই স্ট্রাইকারকে। এবার সেই এমবোলোর শেষ মুহূর্তের গোলেই জয় হাতছাড়া হলো মেসির ইন্টার মায়ামির।
ঘরের মাঠে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচের ৮৭ মিনিট পর্যন্ত ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল মায়ামি। মনে হচ্ছিল, জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে মেসির দল। কিন্তু শেষদিকে গোল করে সেই হিসাব বদলে দেন সদ্য আটলান্টায় যোগ দেওয়া এমবোলো। ফলে ম্যাচটি শেষ হয় ২-২ গোলে।
এর আগে মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে ৭-১ গোলের বিশাল জয়ের পর টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয়হীন থাকল মায়ামি।
ম্যাচের ৩২ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে দারুণ হেডে মায়ামিকে এগিয়ে দেন কাসেমিরো। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারের এটি ছিল টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল। অবশ্য মাত্র তিন মিনিট পরই মিগুয়েল আলমিরনের গোলে সমতায় ফেরে আটলান্টা।
এরপর মেসির বাড়ানো পাস থেকে টেলাসকো সেগোভিচের সহায়তায় লুইস সুয়ারেজ গোল করলে আবারও এগিয়ে যায় মায়ামি। বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে এটি ছিল চলতি মৌসুমে উরুগুইয়ান তারকার ১২তম গোল।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে মেসির একটি চোখধাঁধানো ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। গোল না পেলেও ম্যাচজুড়ে আক্রমণে নিজের উপস্থিতি জানান দেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
তবে সব আলো শেষ পর্যন্ত কেড়ে নেন এমবোলো। ৮৭ মিনিটে তার গোলেই মায়ামির জয় বদলে যায় ড্রয়ে।
এমবোলোর সঙ্গে মেসিদের পুরোনো গল্পটাও তাই নতুন করে আলোচনায়। আগের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে ফাউলের ঘটনায় ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মের অদ্ভুত প্রয়োগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল সুইস ফরোয়ার্ডকে। এবার অবশ্য কোনো কার্ড নয়—গোল করেই মেসিদের জয় কেড়ে নিলেন তিনি।
ইস্টার্ন কনফারেন্সে বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্টার মায়ামি। শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে তারা, যদিও হাতে রয়েছে আরও ১১টি ম্যাচ।