বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পর্যটন, সংস্কৃতি, শিক্ষা, শিল্পকলা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করতে যাত্রা শুরু করেছে নতুন নেটওয়ার্ক—মালয়েশিয়া–বাংলাদেশ ট্যুরিজম, আর্টস অ্যান্ড কালচারাল নেটওয়ার্ক (এমবিটিএসিএন)।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক যোগাযোগকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সোমবার রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে নেটওয়ার্কটির উদ্বোধন করা হয়। ‘ব্রিজিং পিপল, সেলিব্রেটিং কালচার, ইন্সপায়ারিং ট্যুরিজম’ স্লোগানকে সামনে রেখে এমবিটিএসিএন কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নেটওয়ার্কটির অন্যতম লক্ষ্য হলো দুই দেশের মানুষের ব্যক্তিগত যোগাযোগ, ভ্রমণ, পেশাগত সম্পৃক্ততা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অভিজ্ঞতাকে আরও বিস্তৃত সহযোগিতায় রূপ দেওয়া।
এর আওতায় সাংস্কৃতিক উৎসব, শিল্পকলা, আলোকচিত্র ও চিত্রকলা প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র ও সাহিত্য বিনিময় এবং রন্ধনশিল্পভিত্তিক বিভিন্ন আয়োজন করা হবে।
পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও একাডেমিক বিনিময়, পর্যটন সহযোগিতা, স্বাস্থ্যসেবা সংযোগ এবং যুব উদ্যোগেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পর্যটনের পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসেবা, শিল্পকলা, ব্যবসা, যুবসমাজ, গবেষণা ও কমিউনিটিকে একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে নেটওয়ার্কটির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকায় মালয়েশিয়া হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হাজওয়ান হাসন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী।
এমবিটিএসিএনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক সায়েদ ইয়াহিয়া সায়েদ ওথমান মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়া থেকে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তিনি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার পরিচালক ফ্রাঁসোয়া শঁব্রা। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন এমবিটিএসিএনের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মো. আবদুস সামাদ।
এমবিটিএসিএনের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাভেল ম্যাগাজিন ভ্রমণের সম্পাদক ও প্রকাশক আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে নেটওয়ার্কটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষা, ব্যবসা, শিল্পকলা ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।