ফুলবাড়ী উপজেলা সুজনের কুটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের সাথে একই উপজেলার শিমুল বাড়ি ইউনিয়নের নন্দীরকুটি গ্রামের আসমা বেগমের সহিত পারিবারিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ২০১০ সনে বিবাহ সম্পন্ন হয়। তখন আসমা বেগমের বয়স ছিল ১৪-১৬ বছর। শহিদুল ইসলাম ভবিষ্যতের চিন্তা করে স্ত্রীকে ইন্টারমিডিয়েট ও এলএলবিতে লেখাপড়া করায়। এতে শহিদুল ইসলাম নিজ সম্পত্তির প্রায় ৬ থেকে ৭ বিঘা সম্পত্তি বিক্রি করে এবং বিভিন্ন জায়গায় চাকরি উদ্দেশ্য দৌড়ঝাপ করে এক পর্যায়ে বাংলাদেশ আরডিআরএস এনজিও লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলা মধ্যে আসমা খাতুনর চাকরি হয়। বউ যাতে স্বাচ্ছন্দে চাকরি করতে পারে সেজন্য শহিদুল ইসলাম নিজ টাকা দিয়ে স্ত্রীকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেয়।২০১০ সাল থেকে তাদের দাম্পত্য জীবনে দুইটি ছেলের সন্তানের জন্ম নেয় বড় ছেলে মারুফের বয়স ১৪ বছর আর ছোট ছেলের বয়স হচ্ছে ১০ বছর। দাম্পত্য জীবনে স্বামী স্ত্রীর মাঝে সামান্য মনোমালিন্য হয় এই মনমালিন্য থেকে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিশ হয় বিচারের এক পর্যায়ে আসমা খাতুন বলে আমাকে যদি জমি লিখে দেওয়া হয় তাহলে আমি সংসার করবো ঠিক সংসারের কথা চিন্তা করে সরল মনে তার স্বামী শহিদুল ইসলাম ২ ছেলে ও বউয়ের নামে ২৬ শতক জমি লিখে দেয়। কিন্তু গত ০৫-১০-২০২৬ আসমা খাতুন এক অভিনব প্রতারণা আশ্রয় নেয়। সে হঠাৎ করে কাউকে কোন কিছু না বলে কোটের মাধ্যমে শহিদুল ইসলামকে ডিভোর্স দেয়।এই ডিভোর্স লেটার হাতে পেয়ে শহিদুল ইসলাম বলে এটা আমার প্রতি চরম অন্যায় ও জুলুম হয়েছে। শহিদুল ইসলামের স্ত্রীর এমন কান্ডে নিজের প্রতি অন্যায় হয়েছে বলে শহিদুল ইসলাম জানান। সেই সাথে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা,সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আসমা খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা গেলেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।