রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবাবগঞ্জের হাট-বাজার ও গ্রামগঞ্জে এখনো দেখা মেলে দাঁড়ি চুল কাটার ভ্রাম্যমাণ সেলুন বাউফলে মামলা চলাকালে জুতার দোকানের তালা ভেঙে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে বিরোধী দল: রিজভী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে: স্পিকার দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি মেট্রোরেল, একনেকে উঠছে ৪৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা সংকটকে পুঁজি করে অরাজকতার চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান

নবাবগঞ্জের হাট-বাজার ও গ্রামগঞ্জে এখনো দেখা মেলে দাঁড়ি চুল কাটার ভ্রাম্যমাণ সেলুন

মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

কালক্রমে হারিয়ে যেতে বসেছে ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দরদের চুল ও দাড়ি কাটার চিত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্য অনেক পেশার মতোই নরসুন্দরের এই পেশা প্রায় বিলুপ্তির পথে। তারপরও কখনও কখনও গ্রামাঞ্চল ও হাটবাজারে চোখে পড়ে ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দরের কর্মযজ্ঞ। ভ্রাম্যমাণ এসব নরসুন্দর চুল কাটার বা ছাঁটার যন্ত্রপাতি নিয়ে বসেন গ্রামীণ ও হাটবাজারগুলোতে। হাটবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আসা ক্রেতারাই নরসুন্দরদের ‘কাস্টমার’।সম্প্রতি সরেজমিন দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী নবাবগঞ্জের হাট ঘুরে দেখা যায়, হাটে চুল ও দাড়ি কাটার কাজ করছে প্রায় ৫ জন নরসুন্দর। কাস্টমারদের পিঁড়ি বা টুলে বসিয়ে চুল ও দাড়ি কাটছেন তারা। কাস্টমারদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।নরসুন্দরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কয়েক যুগ ধরে এভাবেই দাড়ি ও চুল কাটছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাটে আসা মানুষজন তাদের কাস্টমার। তারা বিভিন্ন হাটবাজারে খোলা আকাশের নিচে বসে চুল ও দাড়ি কেটে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তারা চুল কাটতে ২০-৩০ টাকা এবং শেভ বা দাড়ি ঠিক করতে ১৫০-২০ টাকা নেন।উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়ন থেকে হাটে আসা একজন বলেন, ‘আমি দিনমজুর মানুষ। সেলুনে চুল ও দাড়ি কাটাতে গেলে ৫০ থেকে ১০০ টাকা লাগে। আর এদের কাছে মাত্র ৪০ টাকায় চুল ও দাড়ি কাটানো যায়। সেলুন আর এদের কাজের মান প্রায় সমান।’ গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের এলাকার বেশিরভাগ মানুষই ভ্রাম্যমাণ এই নরসুন্দরদের দিয়ে চুল-দাড়ি কাটান। তাদের কাছে অনেক কম টাকায় চুল-দাড়ি কাটানো যায়।এক নাপিত বলেন, ‘এ পেশা আমার দাদার ছিল। দাদার মৃত্যুর পরে বাবাও ছিলেন এ পেশায়। বাবার কাছ থেকেই আমার এ পেশার হাতেখড়ি। বাবার মৃত্যুর পরে আমিই হাল ধরেছি। টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু সন্তানরা নাপিতের পেশায় আসতে চায় না। তাই বাপ দাদাদের ঐতিহ্য বিলুপ্তির পথে। এক নাপিত বলেন, নবাবগঞ্জের হাট সপ্তাহে শুক্রবার ও মঙ্গলবার দুদিন বসে। হাটে প্রায় হাজার মানুষের সমাগম হয়। প্রতিটি হাটে চুল ও দাড়ি কেটে প্রায় ৮০০-১২০০ টাকা আয় হয়। এ আয় দিয়েই সংসার চলে।তারা আরো জানান বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দিয়ে থাকি

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৮ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০০ অপরাহ্ণ
  • ১৬:২৬ অপরাহ্ণ
  • ১৮:১৬ অপরাহ্ণ
  • ১৯:৩১ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102