বিষাক্ত এসিড ড্রামের তাপে দেওয়ালের কালার নষ্ট হয়েছে এতো ও যেন কারো মুখে বাধা বা প্রতিবাদ নেই। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে কমিটির ভয়ে কথা বলতে রাঝি হয়নি শিক্ষকরা। মাদ্রাসার আবাসিক হোটেলের ওয়াল ঘেঁষে ড্রাম রাখা হলেও ঢাকা পড়েছে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ জানালা। সেখানে হেফজখানার আর হোষ্টেলের কোমলমতি ছাত্ররা ঘুমায় বিষাক্ত এসিড বাষ্পের কারণে রুমের ফ্যান গুলো নষ্ট হয়ে গেছে, ওয়াল, বেলকনি কালার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে
ভয়ে যেন কেউ কাউকে বলতে পারছে না। অনেকের ধারনা, হয়তো অন্য কিছুর বিনিময় কাজে লাগানো হচ্ছে নাতো? বিষাক্ত ক্যামিকাল এসিড মিনি ড্রামের গায়ে লেখা রয়েছে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, এটি মাটির নির্দিষ্ট গভীরে পুতে ফেলার জন্য ; কিন্তু বিধিনিষেধ গায়ে ওপর লিখাই যথষ্ট নয় কারণ, জেটি ফিসারিতে বড় বড় সাহেবরা কাজ করে বড় নেতারা মৎস্য ব্যবসা করে গরীব শ্রমিক, মাদ্রাসার ছেলে-মেয়েদের হিসাব কে রাখে? ঐসব বিষাক্ত এয়াসিডের কোন কিছু কাপ্তাই প্রবেশের ছাড়পত্র দেওয়ার আগে সকলকে সজাক রাখার ব্যবস্হা জরুরি মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়টি নিয়ে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে অবগত করানো হলে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।