নদী, খাল ও জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে নাটোর জেলার প্রস্তাবিত ‘বড়াল নদী অববাহিকায় পানিসম্পদ পুনর্বাসন (বড়াল নদী ড্রেজিং, নারদ নদ ও মুসা খাঁ নদী পুনঃখনন)’ শীর্ষক প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শনকালীন সময়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আরোও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে জনস্বার্থ, কারিগরি সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি সুফলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। তিনি বলেন নারদ নদের ২০ কিলোমিটার এলাকার উভয় পাশে ওয়াক ওয়ে সহ বসার সুব্যবস্থা করা হবে। যেনো ভবিষ্যতে নারোদ নদী আর দখল না হয়। বর্জ্য জমে দূষিত না হয়।এসময় তিনি প্রকল্পের প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন-সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে অবহিত হন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল হক মিলন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিফাত করিম প্রমুখ। নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো রিফাত করিম বলেন প্রতমে বড়াল নদী, মূসা খাঁ নদী ও নারদ নদের ড্রেজিং ও খননের জন্য ২ হাজার ২ ‘শ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয় দরে প্রস্তাবনা দেয়া হলেও কয়েক ধাপে পর্যালোচনা শেষে বর্তমানে ৪২৮ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।