গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ সুযোগ পাবে। তবে সেই স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে ভুল তথ্য, গুজব কিংবা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। এতে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।
সালেহ শিবলী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণের দায়িত্ব সরকার বা জনগণের নয়। কোনো সংবাদ বা প্রকাশনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের। একই সঙ্গে গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের আর্থিক সক্ষমতা এবং কর্মীদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। এসব তথ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি সংবাদমাধ্যমকে তথ্য প্রকাশের আগে যথাযথভাবে যাচাই করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রেস সচিবের পরামর্শ, প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমগুলো অন্তত ১০ মিনিটের একটি ফ্যাক্ট-চেকিং অনুষ্ঠান প্রচার করতে পারে। এর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করে জনগণের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
অনুষ্ঠানে সালেহ শিবলী দাবি করেন, আগের সরকারের সময়ে দীর্ঘ সময় তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে গণমাধ্যম প্রত্যাশিত স্বাধীনতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পায়নি।
তিনি আরও বলেন, দেশে সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে সংখ্যার পাশাপাশি গণমাধ্যমের মান ও সাংবাদিকতার গুণগত উন্নয়ন কতটা হয়েছে, সেটিও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রসঙ্গে সালেহ শিবলী বলেন, নাগরিকের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তার দাবি, গত ১৭ বছরে যে বিষয়গুলো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য দেবেন। তার মতে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, দাবি আদায়ের জন্য বিরোধী দল বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। তবে কোনো কর্মসূচি জনগণ গ্রহণ করবে কি না, সে সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও সতর্ক করেন সালেহ শিবলী। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারের উদ্যোগ