দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং বিনিয়োগকারীদের দ্রুত ও সমন্বিত সেবা দিতে কার্যকর হয়েছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’।
জাতীয় সংসদে গত ১৬ জুলাই পাস হওয়া এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়া আইনটি বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০ আগস্ট থেকে সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে।
নতুন এই আইনের ফলে বিনিয়োগসংক্রান্ত একাধিক পুরোনো আইন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আইন এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন।
একই সঙ্গে পৃথকভাবে পরিচালিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম একীভূত করা হয়েছে।
এই তিন প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্ব, সম্পদ, দায়-দেনা, চলমান চুক্তি, মামলা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’ বা আইবি। নতুন সংস্থাটি দেশের প্রধান বিনিয়োগ সমন্বয়কারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবে।
নতুন কাঠামোয় কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী গভর্নিং বোর্ডের সভাপতি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। বোর্ডে অর্থ, শিল্প, বাণিজ্য, পররাষ্ট্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, ভূমি এবং আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে থাকবেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং বেসরকারি খাতের চারজন প্রতিনিধি বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে অন্তত দুজন নারী থাকবেন।
অন্যদিকে, কর্তৃপক্ষের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও কার্যকরী দায়িত্ব পরিচালনার জন্য থাকবেন একজন চেয়ারম্যান এবং সাতজন সদস্য।
সরকারের প্রত্যাশা, নতুন এই সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে বিনিয়োগ অনুমোদন ও সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব হবে। ফ