রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ দেখিয়ে ট্রাম্পের মানচিত্র প্রকাশ বঙ্গোপসাগরে কার্গো জাহাজডুবি: ২ নাবিক উদ্ধার, নিখোঁজ ২২ সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ আন্দালিব রহমান পার্থকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মার্কিন কংগ্রেসের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিউইয়র্কের কনসার্টের পর অভিনয়ে ফিরলেন অপূর্ব শরিফুলের ৭ উইকেটেও বিপদ কাটেনি, ইনিংস হার এড়াতে লড়ছে বাংলাদেশ ২০৩১ সালের মধ্যে স্বর্ণ-হীরার অলংকার রপ্তানিতে ৭ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য বাজুসের ব্রিটেনে পুলিশের গাড়ির সঙ্গে ভুল পথে আসা গাড়ির সংঘর্ষ, নিহত ৭ অতিরিক্ত প্রত্যাশা পূরণে তাড়াহুড়া করলে ফের বিপদ আসতে পারে: এ্যানি আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

২০৩১ সালের মধ্যে স্বর্ণ-হীরার অলংকার রপ্তানিতে ৭ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য বাজুসের

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নীতিগত সংস্কার, স্বর্ণ আমদানি সহজীকরণ এবং আধুনিক উৎপাদন অবকাঠামো গড়ে তুলে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে স্বর্ণ ও হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে চায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। একই সঙ্গে জুয়েলারি শিল্পকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকায় আয়োজিত ‘বাজুস জুয়েলারি ফ্যাশন কার্নিভাল-২০২৬’-এ লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের এ পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাজুস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এফসিএমএসহ সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা।

বাজুস জানায়, ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান এবং চার লাখ কারিগর সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ।

স্বর্ণ আমদানি সহজ করার দাবি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর ও ভ্যাটে রেয়াত দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাজুস বলেছে, এখন তাদের অগ্রাধিকার হলো দেশীয় জুয়েলারি শিল্পকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তর করা।

সংগঠনটির মতে, এ খাতের বড় প্রতিবন্ধকতা নীতিমালার অস্পষ্টতা। বৈষম্যহীন নীতির মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ আরও সহজ করা গেলে দেশের বাজারে প্রতি ভরি অলংকারের দাম অন্তত ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

বাজুসের প্রস্তাব অনুযায়ী, ‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত)-২০২৬’ কার্যকর করা গেলে সরকার প্রতিবছর এ খাত থেকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব পেতে পারে। পাশাপাশি বাজারে থাকা অপ্রদর্শিত স্বর্ণ এককালীন ফি দিয়ে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হলে আরও ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে থাকা স্বর্ণের মজুতের একটি ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরির সুযোগও তৈরি হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

৫০০ আধুনিক কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা

দেশীয় দক্ষ কারিগরদের কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০টি আধুনিক জুয়েলারি কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে বাজুস। এসব কারখানায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের সরাসরি এবং আরও এক লাখ মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান হতে পারে। একই সঙ্গে জুয়েলারি শিল্পের মাধ্যমে দেশের জিডিপিতে অতিরিক্ত ০.৫ শতাংশ অবদান রাখার প্রত্যাশা করছে সংগঠনটি।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঢাকার মধ্যে ১০ বিঘা জমিতে ‘স্বর্ণপল্লী’ নামে একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে বাজুস। প্রস্তাবিত এ এলাকায় আধুনিক জুয়েলারি কারখানার পাশাপাশি ডায়মন্ড প্রসেসিং ইউনিট স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

ডায়মন্ড রপ্তানিতেও বড় লক্ষ্যমাত্রা

বাজুস মনে করে, ২০০৬ সালের অমসৃণ হীরা আমদানি-রপ্তানি (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা সময়োপযোগী করা জরুরি। পাশাপাশি হীরা আমদানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক কমিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

‘স্বর্ণপল্লী’তে ডায়মন্ড প্রসেসিং ইউনিট স্থাপন করা গেলে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছে বাজুস। এ খাত থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ডায়মন্ড জুয়েলারি রপ্তানির সম্ভাবনাও তুলে ধরেছে সংগঠনটি।

বাজুসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নীতিমালা আধুনিকীকরণ

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২০ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৫ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৩৬ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৩১ অপরাহ্ণ
  • ১৯:৪৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102